আমেরিকান বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিতে রোযা রাখার ৫ টি উপকারিতা

Published by:

রোজা রাখা শুধু ধর্মীয় অনুভূতির জন্য নয়, স্বাস্থ্য রক্ষাতেও কার্যকরী৷ উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বা শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে ভূমিকা রাখে রোজা। এর উপকারিতা সম্পর্কে জার্মানিতে একটি সমীক্ষার ফলাফলে জানা গেছে, শতকরা ৫৫ জন জার্মান একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত না খাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। একটি অ্যামেরিকান গবেষণা থেকে জানা যায়, রোজা রাখলে তা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
দূষিত পদার্থ বের করে দেয়
ফাস্টফুড, সাদা রুটি, পিৎসা জাতীয় তৈরি খাবার শরীরের ভেতরে ঢুকে ‘টক্সিন’ বা দূষিত পদার্থে রূপান্তরিত হয়৷ এগুলো শরীর থেকে বের হওয়া জরুরি৷ আর সে ক্ষেত্রেই কাজে আসে উপোস করা৷ সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে জমে থাকা ফ্যাট এবং দূষিত ও ক্ষতিকারক পদার্থগুলো বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে বের হয়ে যায়৷ তাছাড়া রোজা রাখলে অনেকটা সময় না খাওয়ার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণও কিছুটা কমে, ফলে গ্যাসট্রিকের ব্যাথাও কম হয়।
ডায়বেটিস প্রতিরোধে সহায়ক
সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে শরীরের ‘গ্লুকোজ’ বা শর্করা জাতীয় খাবারের দ্রুত ক্ষয় হয় এবং তা দেহের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগায়৷ এর ফলেই ‘ইনসুলিন’-এর উৎপাদন কমে যায় এবং তা প্যানক্রিয়াসকে খানিকটা বিশ্রাম দেয়৷ গ্লুকোজ ক্ষয়ের ফলে শরীরে ‘গ্লাইক্লোজেন’ তৈরি হয় এবং ‘ব্লাডসুগার’ কমে ডায়বেটিস প্রতিরোধে সহায়ক হয়।

রক্তচাপ হ্রাস করে
না খেয়ে থাকা অবস্থায় শরীরে গ্লুকোজ ও চর্বিকণাগুলোর ক্ষয় হয়ে শক্তি উৎপাদন হয় এবং ‘মেটাবলিক রেট’ কমে৷ তাছাড়া অন্যান্য হরমোনের মতো ‘স্ট্রেস হরমোন’-ও কমে, ফলে রক্তচাপও কমতে পারে৷ এছাড়াও রোজার মাসে ধূমপান কম করা হয়৷ তাই এটা ধূমপান একেবারের মতো ছেড়ে দেবারও একটা পরীক্ষা হতে পারে বলে মনে করেন অনেকে৷ সারাদিন রোজা রাখলে শরীরে ‘কোলেস্টোরল’-এর পরিমাণও কিছুটা কমে, ফলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমে।
ওজন কমে
রোজা বা সংযমের মাসে সারাদিন না খাওয়াতে পাকস্থলী কিছুটা ছোট হয় তাই ওজন কমানো হয় সহজ৷ এই অভ্যাস রোজার পরে অব্যাহত রাখলে ওজন নিয়ে আর কোনো চিন্তাই থাকে না৷ অনেক জার্মান কোনো উৎসব বা উপলক্ষ্যে বেশি খাওয়া-দাওয়ার পর অথবা বছরে এক বা দু’বার নিয়ম করে কয়েকদিন উপোস করেন৷ এই উপোসের সময় খাবারের তালিকায় থাকে সেদ্ধ শাক-সবজি, সবজির স্যুপ, গ্রিন টি, অর্থাৎ প্রচুর পানি জাতীয় খাবার৷ যা শরীরকে হালকা ও পরিষ্কার করে।
রোজার পরেও সুন্দর ও ফিট থাকুন
রোজা যেহেতু এখন গরমের সময় হচ্ছে, তাই বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না হয়৷ তাই ইফতারের সময় ভাজা, পোড়া কম খেয়ে বিভিন্ন মৌসুমি ফল, ডাবের পানি ও তরমুজ খাওয়া স্রেয়৷ তরমুজ হার্ট, ধমনী, কিডনির জন্য খুব উপকারী৷ তাছাড়া আম, কাঁঠাল, আনারস, বাঙ্গি থাকতে পারে ইফতারের টেবিলে৷ এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন এ আর সি, যা ‘অ্যান্টি অক্সিডেন্ট’ হিসেবে কাজ করে এবং রোজার পরেও ত্বক সুন্দর ও আকর্ষণীয় রাখে।

6 foods which will cure acne problem forever:

Published by:

6 foods which will cure acne problem forever:

Acne ProblemHope it will be too tough to find out people who are not suffering and did not suffer from acne problem. Acne can attack an any kinds of skin. People do a lot of things to remove acne. But how much effective they are? People takes lots of medicine and creams. But do they work? Ok, isn’t it better if it can be solved from inside of body? We can easily cure our acne problems by eating some foods. Yes, nature is the big resource of many cures. But we must find the proper solution and know how the work.

Because of dead cells and pollution our skin becomes effected. Dirt pollution effects our skin and creates acne. Generally if ones skin is oily it hampers more. Oily skin is the best place for acne. Many scratches acne with their dirty hand. This is not permissible. It creates long term damage on skin. One can easily protect their skin by protect their skins from acne by taking some care.

Today we are presenting a list of food which will help to say Good byr to acne forever. According to season keep them in your food list and stay safe from acne.

Cucumber:

There is a lot of vitamin A, C and E also amino acid in cucumber. This prevents boring bacteria on skin so that acne does not happen. One can also drink cucumber juice which helps to prevent acne and also it radiants face.

Fresh greens:
Because of indigestion acne problem in creases. So we must greens which helps to digest such as lettuce, spinach, stalk and so on. This greens helps to digest and solves acne problems.

Raw Garlic:
People don’t want to eat garlic because of smell. But the anti- bacterial elements of garlic helps to refine blood and also develops body’s emune system. Try to eat ¼ of a garlic everyday.

Tomato:
Tomato contains a lot of vitamin E which helps to solve acne problem. Also the bioflevanoids of tomato helps to repair damage cells. It helps to remove acne spots.

Green Tea:
We drinks tea/ coffee everyday as a refreshing energy drink. But to prevent acne you must make the habit of green tea in lieu of normal tea and coffee. Green tea helps to make toxic materials out of body and to destroy bacterias which are responsible for acne.

Olive oil:
We are soybean oil to cook generally. Sometimes we use mustard oil. But we don’t know that this soybean oil and mustered oil are responsible fro acne. Start using olive oil from today. Olive oil digests so easily and develops emnue system. Also acne problem solves.

Among the main reason for acne, dirty skin is in top. So, one must keep skin clean. Using scrubs to keep face clean. Acne can be in any other parts of body. So, scrubing applies for whole body. Also remember drink plenty of fresh, pure water everyday, Getting plenty of high intensity exercise helps your body free toxin, get proper sleep that’s means keep stress free life, Vitamin-d is badly needed for a skin and without vitamin- D body can not fight infection, one more step you can reduce acne problem that is you should avoid sweets, fructose and grains for a few weeks. Replace this food you can take coconut oil, olive oil or butter and last you have to maintain a proper diet chart if you want to full free from acne. So, first make a diet chat and stay healthy.

11 Reasons That Can Break Your Relation:

Published by:

Relationships are very expensive for us. Relationships keeps we alive. Takes care of our mental health. At any cost, we do not want to creat a distance in it. But may be we hit the man of own mistakes. Now we are giveing 9 problems what can break your relation.

Mind Reading:

Instead of the question, we always take a lot of self-understanding. There have many complex in human behavior. There can be mistake if any one want to understand itself. Many people do not express himself. every one can not enhanced in the eyes of the face. If you want to guess to seeing the face, you will unable to know that you are in a wrong sense. At the same time you’re doing the missbehave with your partner.

Not Listening:

you have some problems with your partner, but you are not listening? Insead learn to his views,you engage in debate at the beginning. Position your saying, angry may is smog of others speech. Thus, his inability to speak make a distance. Listen he very attentively.

Filtering:

You may not hear those words never seriously which you do not want to hear. Only those you accept your partner’s speech which you like. This not only reduces familiarity, its accumulation of a lot of grief.

Obliviousness:

During the discussion you may be oblivious. especially when discussing gone a long time. But this inattention can give your partner the feeling that, you are not giving importance to him. Show him that his every talk is very important for you.

Judgment:

Do you judge people without cause? May be you take an opinion about people easily. You do not try to understand or to learn about him. When you hear the full story of an event or person and trying to understand then you can be give unbiased opinions. Before know any thing does a comment is not intoductory of generous .

Advised:

Your partner is your equivalent, it does not matter the age! If you took the role of the teacher himself your relationship will be affected. Please note, you’re always giving advice? It’s kind of a ride to his qualification.Do not give him advise all time.It is harmful for a relationship.

Arguments:

When argue in any matter if you proceed through logic its does not hurt anyone. But we can not take a lot of getting lost. It is harmful to our personality. For a good relationship, we need avoid arguments.

Acknowledgement:

Is that a lot of time, for stop arguing we say, ‘Well, You’re right’. It reveals a kind of negligence. Speak and be cool. Stopping the wound is not the solution to completion. So talk. It is so important for a relationship.

Excuse:

The worst thing we do that is counter-blame. Despite reluctance to admit our mistakes we blame others. It could break a relationship in one moment. Embracing own fault and a little “sorry” would pretty much your relationship. So , if you want to countinue your relationship, you should avoid accuse.

Do not give time to him:

Do not give enough time to him can break your relationship. It make distance and gape. No one should make a gape in relationship. A relationship always depended on give time. A boy or girls need it first.

Disbelief:

Do not trust on pratner is can break a relation. In a relation couple should trust each other. If they can not trust each other then relation could be break.Trust each other make relationship strong and easy.

অরণ্যাকাশ

Published by:

সুপ্রভা, তুমি কি আকাশের গল্প শুনেছিলে? না না, আমি বন্ধু আকাশের কথা বলছি না। আমি বলছি নীল আকাশের কথা। সে তো আজ সারাদিন কেমন কালো হয়ে ছিলো। সকালে ছিলো তীব্র রোদ, এরপর থেকেই বিষণ্ণ আকাশ। ওর বিষণ্ণতা কেন জানিনা। তপ্ততার সাথে মেঘকালো বিষণ্ণতা মিলে কষ্টকর এক আবহাওয়া ছিলো। আমার মনেরটা কেমন ছিলো জানো? ধুরর! আমি আশাও করিনা তুমি জানবে। কী হবে সব জেনে? জানলে কি আর বৃষ্টি নামাতে পারবে? আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টিতে স্নাত হবার দরকার আমার। আমি তো চেয়েছি রোদের গন্ধ মুছে ফেলে শুদ্ধ হবো। শুদ্ধির স্পর্শে আমি পবিত্র হবো। এসবই আমার প্রলাপ। আজীবনের প্রলাপেই আমার উপায়।

অরণ্যের কথা শুনেছিলে? অরণ্য আমার মতন। কেউ তার কথা শুনে না। গাছগুলোর মাঝে প্রবল বাতাস বয়ে গেলে কেমন শোঁ-শোঁ শব্দ হয়, তাইনা? কড়কড় করে কোন গাছের শাখা হয়ত ভেঙ্গে পড়ে। আমার হৃদয়ও কি কম ভাঙ্গে অমন করে? আমার মনের ভাঙ্গনে কড়কড় না, মটমট করে ভাঙ্গে। প্রতিটি জোড়, প্রতিটি বন্ধন যেন খন্ডিত হয়ে যায়। আমি আর আমার টুকরো হওয়া — এরই মাঝে অরণ্যের ভালোবাসা। তুমি তো অরণ্য চেন না, তাইনা? তুমি মনে হয় সমুদ্র চেন, ঠিক বলেছি?

সমুদ্রের মাঝে আমি নেই। ঐ বিশালতার মাঝে আমার দু’চার ফোঁটা অশ্রুর লোনাজল মিশে থাকতেও পারে। একবার ভৈরবে আমার চোখের জল ফেলেছিলাম। সেই নদী হয়ত তোমার চেনা সমুদ্রে আমার অশ্রুফোঁটাকে বয়ে গিয়ে গেছে। সমুদ্রের লবনাক্ততার মাঝে হয়ত আমার অশ্রুর লোনাজল মিশে গেছে। তুমি তো সেসব বুঝো না।

ওসব আকাশ, অরণ্য আর সমুদ্রের গল্প আমার এই কাঠ-কাঁচ ঘেরা প্রকোষ্ঠে অর্থহীন। আমি এক প্রলাপময় জীবনকে ধারণ করি। অর্থহীন তিক্ত আলাপই আমার জীবন। এসব কথা আর নতুন কী? আমার জীবন অমনই রবে। নতুনত্ব বলতে কোন কিছু আমি চিনিনা। দেখোনি তুমি? কয়েক বছরই হয়ত হলো এসব প্রলাপ লিখিনি আমি।

আরো অনেক কিছু লেখার মতন ছিলো। সময় নেই। মাথা প্রচন্ড ব্যথা। কাল রাত থেকেই এই ব্যথা আমাকে কাবু করে ফেলেছে। ভালোও লাগে না যত্ন নিতে। যত্ন নেবার অনেক কিছুই বাকি। বেঁচে থাকলে শরীরের মতন আরো কয়েক হালি বিষয় আছে যার প্রতিনিয়ত যত্ন দরকার। সময় নেই, সুযোগও নেই সেই কারণেই। অনেকদিন চিঠিও লেখাও হয়না সেই সূত্র ধরেই। ভালো লাগছে না কিচ্ছু। কী করবো জানিনা। অনেকদিন হলো আমার বই পড়তে ভালো লাগে না, টেলিভিশন ভালো লাগে না, ফেসবুক-টুইটারেও লগিন করিনা। মাঝে মাঝে আকাশ দেখি, দুপুরের আকাশ। অফিস থেকে বের হয়ে গিয়ে দেখি। রাতে বাসায় ফেরার পরে বিছানায় শুয়ে পড়ি আধামরার মতন। সিলিং-টা দেখি। এই সিলিংকে চিনি আমি অনেককাল ধরে… অ-নে-ক দিন ধরে।

লিখতে বিরক্ত লাগছে। যাই এবার। একটা রিকসা নিয়ে সোজা ঘরে যাবো। আলো নিভিয়ে দপদপ করা মাথার শিরা-উপশিরাদের অনুভব করবো। যখন মরে যাবো, অমনই এক অন্ধকার ঘরে থাকতে হবে। তখনো কি বুক এমন রবে? অনেক আতঙ্ক থাকবে, তাইনা? আমি কি আরো প্রশান্ত হতে পারিনা? চেষ্টা তো করি হয়ত, তবু কেন হয়না? আসলে হয়ত চেষ্টাই করিনা। সবই আমার ভ্রম, সবই হয়ত আমার অরণ্যাকাশের কথা ভেবে চলা কিছু বিচিত্র কল্পনা।

বিদায়ের কোন কথা লিখতে ভালো লাগে না। সম্ভাসনগুলো ক্লান্তিকর। এখন তবে নামহীন বিদায়, আচ্ছা?

উচ্চমাধ্যমিক পাসেই নৌবাহিনীতে অফিসার ক্যাডেট ব্যাচে নিয়োগ

Published by:

জাহাজের ক্যাপ্টেন, এয়ারক্রাফট পাইলট, নৌকমান্ডো ও সাবমেরিনার হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
যোগ্যতা :

-বিজ্ঞান বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
-উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ এবং গণিত ও পদার্থবিজ্ঞানে জিপিএ ৪.০০ থাকতে হবে। পাশাপাশি শুধু সরবরাহ শাখার জন্য ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ কমপক্ষে ৪.৫০ প্রাপ্ত

-২০১৭ সালের উচ্চমাধ্যমিক পাস পুরুষ প্রার্থীরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

-ইংরেজি মাধ্যমের প্রার্থীদের জন্য ও লেভেলে ছয়টি বিষয়ের মধ্যে তিনটিতে এ গ্রেড ও দুটিতে বি গ্রেড থাকতে হবে।

-এলেভেলের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের ন্যূনতম দুটি বিষয়ে বি গ্রেড প্রাপ্ত হতে হবে।

-এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নৌবাহিনীর উচ্চমান পরীক্ষা (এইচইটি) অথবা সেনাবাহিনী বা বিমানবাহিনীর সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

-প্রার্থীদের অবিবাহিত ও বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিক হতে হবে।

-বয়স সাড়ে ১৬ বছর থেকে ২১ বছর হতে হবে। সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের পরিসীমা ১৮ থেকে ২৫ বছর

-প্রার্থীদের ন্যূনতম উচ্চতা পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি এবং ওজন ৫০ কেজি হতে হবে। বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় হতে হবে ৩০ ইঞ্চি এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি।

বেতন সীমা : আলোচনাসাপেক্ষ
আবেদনের শেষ তারিখ : ৩১ মে, ২০১৭
আবেদন প্রক্রিয়া : সরাসরি ও অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন করা যাবে। অনলাইন পদ্ধতিতে নৌবাহিনীর ওয়েবসাইট (www.joinnavy.mil.bd) থেকে আবেদন করা যাবে। তবে অনলাইনে আবেদনের জন্য আবেদন ফি জমা দিতে প্রার্থীদের ট্রাস্ট ব্যাংকের মোবাইল অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এছাড়া সরাসরি আবেদনের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত স্থান থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে আবেদন করতে হবে।

মুম্বাইয়ে ব্র্যাড পিট, স্বাগত জানালেন শাহরুখ

Published by:

বলা নেই, কওয়া নেই, হুট করেই ভারতে দেখা দিলেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট। গত বছরের শেষ ভাগ থেকে এই অভিনেতা পারিবারিক ও ব্যক্তিগত নানা টানাপোড়েন নিয়ে হতাশাগ্রস্ত। তিনি যে হঠাৎ করেই ভারতীয় ভক্তদের এভাবে চমকে দেবেন, তা যেন কাকপক্ষীও টের পায়নি। গতকাল বুধবার অনেকেই এই খবর জানার পর বিশাল চমক পেয়েছেন।

ব্র্যাড পিটকে মুম্বাইয়ে স্বাগত জানান ‘বলিউড বাদশা’ শাহরুখ খান। নেটফ্লিক্সের ছবি ‘ওয়ার মেশিন’-এর প্রচারণার জন্যই ভারতে এসেছেন পিট। তাঁর এই সফরের পরিকল্পনাটি ছিল পুরোপুরি গোপন।

গতকাল রাতে ব্র্যাড পিট ও শাহরুখ খান মুখোমুখি হয়েছিলেন। হলিউড আর বলিউডের শক্তিমান দুই তারকা এক হলে আর কী হতে পারে? ‘কিং খান’ পিটকে জানান, কোন ছবিটি দেখার পর তিনি পিটের ভক্ত হয়েছেন। পিটের কৌতূহল ছিল বলিউডে একটি ছবির শুটিং শেষ হতে কত দিন লাগে? তাঁদের সন্তানেরা বাবার অভিনীত কোনো ছবি অপছন্দ করলে মন কতটা খারাপ হয়, তা নিয়েও কথা বলেছেন দুই মহাতারকা।

আড্ডার একপর্যায়ে ব্র্যাড পিটকে নাচানোরও চেষ্টা করেন শাহরুখ। কিন্তু পিট হার মেনে নিয়ে বলেন, ‘আমি তো আর বলিউড তারকা নই। নাচ আমাকে দিয়ে হবে না।’ শাহরুখও অবশ্য কম যান না। এর জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা যেকোনো মানুষকেই নাচাতে পারি।’ এরপর তিনি পিটকে তাঁর দুদিকে হাত ছড়িয়ে সেই বিখ্যাত ভঙ্গি করে দেখান। পিট শাহরুখের অনুরোধে তাঁর ভঙ্গি অনুকরণ করেন। আর কথা দেন, আবার এলে অবশ্যই দুজন একসঙ্গে নাচবেন।

ভারতে এটি পিটের প্রথম সফর নয়। এর আগেও একবার তিনি ভারতে এসেছিলেন। পার্থক্য শুধু একটাই। সেবার তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবেক স্ত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। আর এবার তিনি এসেছেন একা। বছর দশেক আগে একবার ভারতের পুনেতে জোলি ‘এ মাইটি হার্ট’ (২০০৭) ছবির শুটিং করতে এসেছিলেন। তখন তাঁকে সঙ্গ দিতেই ভারতে আসেন পিট।

ব্র্যাড পিটের ছবি ‘ওয়ার মেশিন’ পরিচালনা করেছেন ডেভিড মিশোড। বলা হচ্ছে, এখন পর্যন্ত এটি নেটফ্লিক্সে মুক্তি দেওয়া সবচেয়ে বড় বাজেটের ছবি। বলিউড লাইফ।
from prothom alo

প্রিয়াঙ্কার ‘বেওয়াচ’-এর ভাগ্যে পচা টমেটো!

Published by:

ভারতের অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আন্তর্জাতিক ছবিতে অভিনয় করলেন। তাঁর হলিউড অভিষেক নিয়ে ভারতজুড়ে কত হইহই রইরই। সেই উচ্ছ্বাসের কিছুটা যেন বাংলাদেশের ওপরও ভর করেছিল। কারণ, এই দেশেও যে প্রিয়াঙ্কার অসংখ্য ভক্তের বাস। কিন্তু প্রিয়াঙ্কার প্রথম হলিউড ছবি ‘বেওয়াচ’-এর ঢাকঢোল যতটা পেটানো হয়েছে, তার ছিটেফোটাও এই ছবির প্রাপ্য কি না, তাই নিয়েই এখন কথা বলছেন পশ্চিমা কয়েকজন চলচ্চিত্র সমালোচক। মাঝখান দিয়ে লাভের লাভ যা হয়েছে এই ছবিতে অভিনয় করার সুবাদে পশ্চিমের জনপ্রিয় অনেক টিভি ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরেছেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী প্রিয়াঙ্কা। বিশ্বের জনপ্রিয় কিছু সাময়িকীতে প্রচ্ছদ মুখ হয়ে পরিচিত হয়ে উঠেছেন পশ্চিমা চলচ্চিত্র শিল্পে।

মিয়ামিতে ‘বেওয়াচ মুক্তি পেয়েছে ১৩ মে। আজ এটি মুক্তি দেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রে। আর ভারতের এই ছবি দর্শকেরা বড় পর্দায় দেখতে পাবেন ২ জুন। তবে ছবি মুক্তির আগেই একটি বিশেষ প্রদর্শনীতে কয়েকজন সমালোচকের সুযোগ হয়েছিল ছবিটি দেখার। তাঁদের প্রায় সবাই ছবির দুর্বল চিত্রনাট্য ও শিল্পীদের কাঁচা অভিনয় দেখে হতাশ। আইএমডিবিতে ছবির রেটিং এখন পর্যন্ত উঠেছে ১০-এর মধ্যে ৫ দশমিক ৫। সিনেমা রেটিং সাইট ‘রটেন টমেটো’-তে ‘বেওয়াচ’-এর কপালে জুটেছে ৫৩টি ‘পচা টমেটো’ আর মোটামুটি ভালো দেখিয়েছেন মাত্র ১২ জন।
‘দ্য গার্ডিয়ান’ পত্রিকার সাংবাদিক স্টিভ রোজের মনে হয়েছে, এই ছবিতে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে এই বলেই চুক্তি করা হয়েছিল যে যতটা পারা যায় তাঁকে শরীর দেখাতে হবে। অনেকে আবার বলছেন, এই ছবির খল চরিত্রে প্রিয়াঙ্কার ভূমিকা শরীর দেখানোর বাইরে আর কিছুই নয়।
ডোয়াইন জনসন ও জন এফ্রোন অভিনীত এই ছবিতে নারীদের যেভাবে চিত্রায়িত করা হয়েছে, সে বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছেন কেউ কেউ। নিজের দেশে মুক্তির আগেই ছবির এমন বাজে রিভিউ নিশ্চয়ই প্রিয়াঙ্কার মনোবল ভীষণভাবে ভেঙে দিয়েছে।
দেখা যাক, শেথ গর্ডনের ৬৯ মিলিয়ন ডলারের এই ছবি ভারতের দর্শকদের কতটা সন্তুষ্ট করতে পারে। ইন্ডিয়া টুডে।

From: prothom-alo

আবার মণি রত্নমের সিনেমায় ঐশ্বরিয়া?

Published by:

সদ্যই ফিরেছেন কান চলচ্চিত্র উৎসব থেকে। কানের লালগালিচার ঝলক এখনো মুছে যায়নি ভক্ত হৃদয় থেকে। এরই মাঝে শোনা গেল মণির রত্নমের সিনেমায় আবারও দেখা যেতে পারে ‘বিউটি কুইন’ ঐশ্বরিয়া রাইকে।

এর আগে মণি রত্নম ঐশ্বর্যকে নিয়ে বানান ‘ইরুভার’, ‘গুরু’ ও ‘রাবণ’ সিনেমাগুলো। এর মধ্যে ‘গুরু’ ও ‘রাবণ’ সিনেমাতে ঐশ্বরিয়ার সহশিল্পী ছিলেন তাঁর স্বামী অভিষেক বচ্চন। ছবিটি হবে রোমান্টিক। ভাষা হবে হিন্দি ও তামিল। অনেক দিন ধরেই মণি রত্নম ও ঐশ্বরিয়া কথা-চালাচালি করছিলেন। শেষমেশ ছবিটি তৈরি হচ্ছে। ঐশ্বরিয়া অবশ্য কোনো কিছু এখনো নিশ্চিত করেননি। বললেন, ‘আমি পাঁচ মাস ব্যক্তিগত কাজের জন্য সবকিছু থেকে ছুটি নিয়েছিলাম। আমি ধন্য যে কাজটি শেষ করেছি। তার মানে আমি এ কয়দিন ব্যক্তিগত কাজ করেছি। কোনো সিনেমাবিষয়ক সভা করিনি। গত সপ্তাহ থেকে কাজ শুরু করেছি। দুটি পাণ্ডুলিপি ভালো লেগেছে। তবে যখন জানানোর প্রয়োজন মনে করব, তখন জানাব। কিন্তু এখন আমি শুধুই পাণ্ডুলিপি দেখছি।’
ঐশ্বরিয়াকে শেষ দেখা যায় ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ ছবিতে। সেখানে তাঁর সহশিল্পী ছিল রণবীর কাপুর ও আনুশকা শর্মা।
From Prothom-alo.com

স্ট্রোক এড়াতে প্রতিদিন সকালে করতে পারেন যে কাজটি

Published by:

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা যাদের আছে তাদেরকে বাসায় রক্তচাপ পরিমাপের পরামর্শ দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালে রক্তচাপ পরিমাপ করাটাই আসলে বেশি ভালো। কারণ বিকেলে পরিমাপের চাইতে সকালে পরিমাপে স্ট্রোকের সম্ভাবনা ধরা পড়ে সহজে।

এই গবেষণায় মূলত জাপানের মানুষদের থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ফলাফলে পৌঁছানো যায়। দেখা যায়, সকালে ব্লাড প্রেশার মাপার পর উচ্চ রক্তচাপ থাকলে তার সাথে স্ট্রোকের সম্পর্কটা ভালোভাবে বোঝা যায়। কিন্তু সন্ধ্যায় উচ্চ রক্তচাপ থাকলেই যে স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকবে, এমনটা বলা যায় না।

সকালে ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাবার প্রবণতা দেখা যায়। আর এই প্রবণতা পাশ্চাত্যের দেশগুলোর চাইতে এশিয় দেশগুলোতে বেশি বলে জানান ডক্টর সাতোশি হোশিদে, জিচি মেডিকেল ইউনিভার্সিটির কার্ডিওভাস্কুলার মেডিসিনের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং এই গবেষণার মূল লেখক। তিনি Live Science কে আরও বলেন, এই কারণ এশিয়দের মাঝে সকালে রক্তচাপ পরিমাপ করাটা জরুরী।

গবেষণায় ৪,৩০০ এর বেশি জাপানি মানুষ অংশ নেন যাদের কোনো না কোনো হৃদরোগের ঝুঁকি ছিলো যেমন উচ্চ রক্তাচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল বা ডায়াবেটিস। দুই সপ্তাহ ধরে তারা দিনে দুইবার করে বাড়িতে ব্লাড প্রেশার মাপেন। একবার সকালে এবং একবার বিকালে। এরপর চার বছর ধরে তাদেরকে ফলো-আপে রাখা হয়। ফলো-আপে দেখা যায়, এদের মাঝে ৭৫ জনের স্ট্রোক হয়।

গবেষকেরা দেখেন, সকালে ব্লাড প্রেশার মাপা হলে তা যদি ১৫৫ মিলিমিটার পারদ চাপের বেশি হয়, তাহলে যাদের ব্লাড প্রেশার ১৩৫ এর কম তাদের চেয়ে এই বেশি রক্তচাপের মানুষের স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে সাতগুণ বেশি। কিন্তু সন্ধ্যায় ১৫৫ এর বেশি রক্তচাপ থাকলেও সেটার সাথে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ার কোনো সংযোগ পাওয়া যায় না।

কিন্তু সন্ধ্যাবেলা ব্লাড প্রেশার মাপা হলে তার সাথে স্ট্রোকের ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া যায় না কেন? কারণ সন্ধ্যাবেলা হতে হতে সারাদিনের অনেক ব্যাপারেই ব্লাড প্রেশার বাড়তে পারে। যেমন গরম পানিতে গোসল (যেটা জাপানি মানুষ খুব পছন্দ করে), খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি।

কিন্তু সকালে রক্ত চাপ বেড়ে গেলে সেটার সাথে সরাসরি স্ট্রোকের সম্পর্ক থাকে। কারণ সকাল সকাল উঠেই শারীরিক ব্যাপার ছাড়া অন্য কিছু শরীরকে তেমন প্রভাবিত করে না।

সকালে ব্লাড প্রেশার বেশি থাকলে তার থেকে স্ট্রোকের ঝুঁকি বোঝা যায়। কিন্তু সকালে ব্লাড প্রেশারের ওষুধ খাওয়াটা আবার বিকেলে খাওয়ার চাইতে তেমন বেশি কার্যকরী নয় বলে দেখা যায় এই গবেষণায়।

তবে এই গবেষণা যেহেতু শুধুমাত্র জাপানি মানুষের ওপরে করা হয়, তাই অন্যান্য জাতির মানুষের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অন্যরকম হতেও পারে।
Mayo Clinic এর মতে, দিনে দুবার করে রক্তচাপ মাপাটা ভালো। সকালে কোনোকিছু খাওয়া বা ওষুধ গ্রহণের আগে একবার ব্লাড প্রেশার মাপা ভালো। আবার সন্ধ্যায় আরেকবার মাপা ভালো। প্রতি বার মাপার সময়ে ২-৩বার করে রিডিং নিলে সঠিক রক্তচাপটা পাওয়া যেতে পারে। কারও কারও ডাক্তার দিনে আরও বেশিবার রক্তচাপ নিতে বলতে পারেন যাতে অতিরিক্ত ওঠানামা করে কিনা তা বোঝা যায়।

WebMD পরামর্শ দেয়, প্রতিদিন একই সময়ে রক্তচাপ নিলে সেটা ভালো। শব্দ কম আসে এমন কোন শান্ত জায়গায় বসে রক্তচাপ নিতে হবে। এর আগে বাথরুম করে নিলে ভালো, ব্লাডার খালি থাকলে ব্লাড প্রেশারের সঠিক মাপ পাওয়া যায়। এছাড়াও রক্তচাপ মাপার আগে এড়িয়ে চলুন ধূমপান, চা-কফি পান, ব্যায়াম এবং কিছু কিছু ওষুধ।

চিরতরে মেছতার দাগ দূর করার ২টি সহজ উপায় জেনে নিন।

Published by:

ত্বকের যে সম্যসাগুলো সবচেয়ে মারাত্নক এবং বিরক্তিকর তার মধ্যে মেছতা অন্যতম। মুখে কালো বা বাদামী রঙের যে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে তাকে মেছতা বলা হয়।

প্রায় সব বয়সী নারীদের ত্বকে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঘরোয়াভাবে কিছু প্যাক ব্যবহার করলে এই দাগ দূর করা সম্ভব।মেছতার কারণ –

১। মেছতার প্রধান এবং মূল কারন হল সূর্যের আলো। কোন প্রতিরক্ষা ছাড়াই অতিরিক্ত সূর্যের আলোতে গেলে এটি হতে পারে।

২। জন্ম নিয়ন্ত্রের পিল খেলে

৩। থাইরয়েড সমস্যা

৪। হরমোনের তারতম্য

৫। বংশগত কারণে

৬। ত্বক নিয়মিত ভালভাবে পরিষ্কার না করলে

৭। অতিরিক্ত চিন্তা, কাজের চাপ, কম ঘুম ইত্যাদি।

এই সকল কারণে সাধারণত মেছতা হয়ে থাকে। এছাড়া আরোও অনেক কারণে মেছতা হতে পারে।

স্কিন ট্রিটমেন্ট, ক্রিম ছাড়াও ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই দাগ দূর করা সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক মেছতা দূর করার সহজ এবং কার্যকরী ২টি প্যাকের কথা।

১। লেবুর রস –

লেবুর রসে আছে ত্বক ব্লিচিং করার উপাদান যা ত্বকের যে কোনো প্রকার দাগ দূর করে থাকে। এছাড়া লেবুর রস ব্যবহারে ত্বক নরম কোমল হয়ে উঠে।

ত্বকে কালো বা খয়েরী দাগে আক্রান্ত জায়গায় লেবুর রস দিয়ে দিন। ৩০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

এটি প্রতিদিন করুন। ২ মাসের মধ্যে আপনি পার্থক্য দেখতে পারবেন।

সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারীরা সরাসরি লেবু ব্যবহার না করে সাথে মধু ও গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

আরেকভাবে লেবুর রস ব্যবহার করা যেতে পারে। লেবুর রসের সাথে পরিমাণ মতো চিনি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন।

এবার পেস্টটি ত্বকে না মিলে যাওয়া পর্যন্ত ঘষুন। বিশেষ করে ত্বকের খয়েরী দাগের জায়গাগুলোতে ভাল করে ম্যাসাজ করে নিন।

৫-১০ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে কয়েকবার করুন। আপনি চাইলে এতে অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।
২। চন্দন –

চন্দনে অ্যান্টি এইজিং এবং অ্যান্টিসেপটিক উপাদান আছে যা ত্বকের হাইপারপিগমেনশন কমিয়ে মেছতার দাগ দূর করে থাকে।

২ টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ গ্লিসারিন, এবং লেবুর রস দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এবার এই প্যাকটি কালো বা খয়েরী দাগের ওপর লাগান।

কিছুক্ষণ পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে কয়েকবার এটি করুন।

১ টেবিল চামচ কমলার রস, ১ চা চামচ লেবুর রস, ভিটামিন ই, ২ টেবিল চামচ চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ভাল করে এই প্যাকটি মুখে লাগান।

আধা ঘন্টার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইবার এটি ব্যবহার করুন। আর দেখুন পার্থক্য।

প্রতিরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চন্দন পাউডার, অলিভ অয়েল, বাদাম অয়েল মিশিয়ে মুখে ম্যাসাজ করতে পারেন।

সারারাত রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলুন।